Header Ads

কীভাবে বাংলাদেশি হিসেবে আপনি ভারতের মেডিকেল ভিসা পাবেন — সম্পূর্ণ গাইড ২০২৬

 india visa

ভূমিকা

চিকিৎসা প্রয়োজন হলে বহু বাংলাদেশি প্রতিবছর India-তে (কেওলতা, কলকাতা, দিল্লি, মুম্বাইসহ) যান। আর যদি আপনার চিকিৎসার জন্য বিদেশ ভ্রমণ করতে হয়, তাহলে প্রথম কাজ হচ্ছেসঠিকভাবে মেডিকেল ভিসা সংগ্রহ করা। ভিসা সংক্রান্ত ভুল বা অনিচ্ছাকৃত দুর্বল তথ্য চিকিৎসা ভ্রমণে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। এই গাইডে ধাপে ধাপে আমরা দেখাব কেমন হবেআবেদন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, খরচ, সময়, এবং পরবর্তী করণীয়।


. মেডিকেল ভিসা কিএবং কিউ?

  • মেডিকেল ভিসা (Medical Visa)” হলো বিশেষ ধরনের ভিসা যারা চিকিৎসা বা চিকিৎসা-সংক্রান্ত জন্য ভারতের হাসপাতালে আসছেন।
  • সাধারণ ট্যুরিস্ট ভিসা দিয়ে চিকিৎসা করা অনুচিত; হতে পারে ভিসা বাতিল বা আইনগত সমস্যা। 
  • মেডিকেল ভিসা রোগীর নিজেকে (patient) এবং প্রয়োজনে তার সঙ্গী (attendant / companion)দুই- প্রযোজ্য।

. কারা আবেদন করতে পারেন (যোগ্যতা)

  • আপনি যদি বাংলাদেশি নাগরিক হন এবং ভারতের কোনো স্বীকৃত হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা বা অপারেশনের জন্য Appointment / Invitation Letter পেয়েছেনতাহলে আবেদন করতে পারবেন।
  • রোগীর সঙ্গে এক বা একাধিক attendant থাকতে পারেন; attendant-এর জন্য আলাদা ভিসা আবেদন করতে হবে 

. কী ডকুমেন্ট লাগবে (Requirements)

মেডিকেল ভিসার আবেদন করার জন্য সাধারণত নিচের কাগজপত্র লাগবে:

কাগজপত্র / তথ্য

বিবরণ / মন্তব্য

আবেদন ফর্ম

অনলাইন ফর্ম (ভিসা পোর্টাল) পূরণ করে প্রিন্ট আউট নিন। 

পাসপোর্ট

স্বীকৃত, মেয়াদ উত্তীর্ণ নয়। পাসপোর্টের কপি মূল পাসপোর্ট। 

ভারতীয় হাসপাতাল থেকে Invitation / Appointment Letter

হাসপাতালের লেটারহেডে, রোগী (যদি থাকে) attendant-এর নাম পাসপোর্ট নম্বরসহ; চিকিৎসার ধরন সম্ভাব্য সময়সীমা উল্লেখ থাকতে হবে। 

চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রতিবেদন / রিপোর্ট

আপনার রোগ সংক্রান্ত প্রাথমিক রিপোর্ট (যেমন রেফারাল লেটার, পরীক্ষা রিপোর্ট — X-Ray, MRI, blood test ইত্যাদি

অ্যাটেনডেন্টের ক্ষেত্রেসম্পর্কের প্রমাণ

রোগী attendant-এর সম্পর্ক প্রমাণ (যদি প্রযোজ্য হয়

ভিসা ফি জমার রসিদ বা প্রমাণ

ব্যাংক বা IVAC-এর প্রদত্ত ফি পেমেন্ট রসিদ রাখতে হবে। 

মনে রাখবেন: আবেদন জমা দেওয়ার সময় সব কাগজপত্র সম্পূর্ণ সঠিকভাবে থাকা জরুরি। ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য থাকলে ভিসা বাতিল বা স্থগিত হতে পারে।

FRRO contact details- Click Here 


. আবেদন প্রক্রিয়া (Step by Step)

নিচে ধাপে ধাপে প্রক্রিয়া দেওয়া হলো

  1. অনলাইন আবেদন (Online Application):
    • প্রথমে যায় অফিসিয়াল ভিসা পোর্টালে (যেখানে হচ্ছে মাইগ্রেশন বা ভিসা পেজ) আবেদন ফর্ম নির্বাচন করুন — “Medical / Paper Visa” (বা যদি -মেডিকেল ভিসা হয়, “e-Medical Visa”)
    • দেশ হিসেবে “Bangladesh” এবং আপনি যে অফিস থেকে আবেদন করছেন (যেমন Dhaka বা Chattogram) নির্বাচন করুন। 
    • তথ্য পূরণ করে সাবমিট করুন, এবং আবেদন ফর্ম প্রিন্ট করুন (দুই কপি)
  2. IVAC- ফিজিক্যাল আবেদন / বায়োমেট্রিকস (In-person submission):
    • আপনি (রোগী) এবং (যদি থাকা যায়) attendant — উভয়েই নির্ধারিত তারিখে IVAC (যেমন ঢাকার গুলশান / উত্তরা / মতিঝিল / ধানমন্ডি) গিয়ে আবেদন জমা দিবেন।
    • আবেদন ফর্ম, পাসপোর্ট (মূল + কপি), চিকিৎসা/হাসপাতালের কাগজপত্র, পেমেন্ট রসিদ ইত্যাদি আনুন।
  3. ভিসা ফি পেমেন্ট:
    • বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য মেডিকেল ভিসার পেমেন্ট ফি সাধারণত ৬০০৭০০ টাকা (~ USD) 
    • ফি সাধারণত SBI (State Bank of India) বা IVAC-এর প্রদত্ত অ্যাকাউন্টে জমা দিতে হয়। 
    • ডেবিট কার্ড গ্রহণযোগ্যকিছু ক্ষেত্রে % সার্জ চার্জ থাকতে পারে।
  4. ভিসা প্রসেসিং সংগ্রহ:
    • সাধারণত ভিসা প্রসেসিং সময় ১০ কার্যদিবস লাগে। 
    • ভিসা অনুমোদন হলে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে (stamp/visa sticker)
  5. ভারতে পৌঁছানোর পর — FRRO / নিবন্ধন (যদি প্রযোজ্য হয়):
    • দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা/থেকে থাকলে, India-তে local registration (যেমন FRRO) করতে বলা হতে পারে।

. ভিসার মেয়াদ, এন্ট্রি এবং এক্সটেনশন

  • সাধারণত মেডিকেল ভিসা মাস থেকে বছরের জন্য দেওয়া যেতে পারেবা পুরো চিকিৎসা সময় অনুযায়ী।
  • একাধিক এন্ট্রি (multiple entries) সুবিধা থাকেঅর্থাৎ আপনি প্রথম ফেজ চিকিৎসা নিয়ে দেশে ফিরে, পরে আবার ফিরে যেতে পারেন যদি প্রয়োজন হয়।
  • যদি চিকিৎসা সময় মাস ছাড়িয়ে যায়, তাহলে আপনি এক্সটেনশন (extension) আবেদন করতে পারবেনসাধারণত সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের মেডিক্যাল রিপোর্ট লাগবে। 

 আরো পড়ুন- বিদেশে পড়াশোনার জন্য কোন দেশ সেরা বাজেটে?

 

. খরচ (Fee & Other Costs)

যদিও ভিসা ফি তুলনামূলক কম (৬০০৭০০ টাকা), তবে পুরো চিকিৎসা সফরের জন্য অন্যান্য অতিরিক্ত খরচ থাকতে পারে:

  • বিমা, ভ্রমণ খরচ, থাকার খরচ, হাসপাতাল চার্জ।
  • যদি attendant থাকে, তাহলে তার খরচ যোগ হবে।
  • ভিসা এক্সটেনশন, ফর্মালিটি বা রেজিস্ট্রেশনের জন্য পুনরায় ফি লাগতে পারে।

⚠️ সতর্কতা: অনেকেফাস্ট ভিসানাম নিয়ে অতিরিক্ত চার্জ দাবি করতে পারে। সবসময় অফিসিয়াল IVAC বা অনুমোদিত অফিস থেকে আবেদন করাই নিরাপদ।


. গুরুত্বপূর্ণ টিপস এবং সাবধানতা

  • আবেদন করার আগে আপনার মেডিকেল এবং হাসপাতাল-সংক্রান্ত সকল কাগজ প্রস্তুত রাখুন (রেফারাল, রিপোর্ট, Appointment Letter)
  • আবেদন যত আগে করবেন, ততই ভালোসময় কম থাকলে স্ট্রেস বা রিজেকশনের ঝুঁকি বাড়ে।
  • পাসপোর্ট অন্যান্য কাগজের কপি মূল তুলনামূলক সঠিক রাখুন।
  • যদিও attendant হতে পারে, তবে তার তথ্য সম্পর্ক প্রমাণ (যদি প্রয়োজন) আগে থেকেই প্রস্তুত রাখুন।
  • ভিসা এক্সটেনশনের সম্ভাবনা মাথায় রেখে রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসার সময় সম্পর্কে হাসপাতাল থেকে ব্যবস্থাপত্র (treatment plan) নিয়ে রাখুন।

. -মেডিকেল ভিসা (e-Medical Visa) কি?

  • সম্প্রতি (২০২৪২০২৫) সময়কালে, কিছু উৎস থেকে জানা গেছে যে বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য -মেডিকেল বা -মেডিকেল অ্যাটেন্ডেন্ট ভিসার সুবিধা চালু হচ্ছে।
  • e-Medical ভিসার সুবিধা পেতে হলে আপনার Indian-hospital থেকে Invitation/appointment পত্র থাকতে হবে। 
  • তবে, সব সময় অফিসিয়াল তথ্য যাচাই করুনকারণ নিয়ম, প্রক্রিয়া প্রয়োজনীয়তা সময়ের সঙ্গে বদলায়।

. সাধারণ ভুল এবং ভুলের কারণে ভিসা বাতিল হওয়াএবং কিভাবে এড়িয়ে চলবেন

নিচে কিছু সাধারণ ভুল এবং কিভাবে এড়িয়ে চলবেন:

  • ভুল/অসম্পূর্ণ কাগজপত্র (hospital letter, medical reports, পাসপোর্ট কপি) → আবেদন আগে থেকেই একাধিকবার চেক করুন।
  • ভিসা ফি বা service-fee জমা না হওয়া বা রশিদ না নেওয়াসবসময় রশিদ কপি রাখুন।
  • Appointment / Invitation Letter- রোগ, রোগীর নাম, পাসপোর্ট নম্বর, চিকিৎসা স্থানের তথ্য স্পষ্ট না থাকা।
  • অপেক্ষাকৃত শেষ মুহূর্তে আবেদনসময় কম থাকলে প্রসেসিং দেরি হতে পারে।
  • Attendant ভিসার ক্ষেত্রে সম্পর্ক বা তথ্য ভুলতাই সঠিক তথ্য দিন।
  • চিকিৎসার সময় বাড়লে, extension বা registration না করানোফল সরূপ আইনগত ঝুঁকি বা ভিসা বৈধতা হারানো 

 অবশ্যই পড়ুন- দুবাই ভিসা কিভাবে করবেন

 

ভারত মেডিকেল ভিসাগুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর (FAQ)


. ভারত মেডিকেল ভিসা কী?

ভারত মেডিকেল ভিসা হলো এমন একটি বিশেষ ভিসা, যা শুধুমাত্র চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ভারত ভ্রমণকারী রোগীদের জন্য দেওয়া হয়। এই ভিসা দিয়ে রোগী ভারতীয় হাসপাতাল বা চিকিৎসা কেন্দ্রে চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারেন।


. বাংলাদেশ থেকে কোন কোন রোগের জন্য মেডিকেল ভিসা পাওয়া যায়?

প্রায় সব ধরনের চিকিৎসার জন্য মেডিকেল ভিসা পাওয়া যায়, যেমন

·       ক্যানসার

·       হার্টের চিকিৎসা

·       কিডনি বা লিভার রোগ

·       নিউরোলজি

·       অস্থি চিকিৎসা

·       চোখ-কান-নাক সংক্রান্ত সমস্যা

·       সার্জারি

·       বিশেষায়িত টেস্ট চেক-আপ


. মেডিকেল ভিসার জন্য কি হাসপাতালের Invitation Letter বাধ্যতামূলক?

হ্যাঁ। ভারতীয় কোনো স্বীকৃত হাসপাতাল থেকে Appointment/Invitation Letter না থাকলে মেডিকেল ভিসা দেওয়া হয় না।


. মেডিকেল ভিসার প্রসেসিং সময় কত?

সাধারণত
থেকে ১০ কার্যদিবস
লাগে।
তবে ব্যস্ত সময় বা কাগজপত্র অসম্পূর্ণ হলে দেরি হতে পারে।


. বাংলাদেশ থেকে কোন কোন শহর/জায়গা থেকে মেডিকেল ভিসার আবেদন করা যায়?

আপনি বাংলাদেশে নিচের IVAC (Indian Visa Application Center) থেকেও আবেদন করতে পারেন

·       গুলশান

·       উত্তরা

·       ধানমন্ডি

·       মতিঝিল

·       চট্টগ্রাম

·       সিলেট

·       খুলনা

·       রাজশাহী


. একজন রোগীর সঙ্গে কতজন Attendant যেতে পারে?

সাধারণত
জন Attendant
যেতে পারে।
যাদের জন্য আলাদা “Medical Attendant Visa” দিতে হয়।


. Attendant-এর জন্য কী ডকুমেন্ট লাগবে?

·       পাসপোর্ট

·       রোগীর সঙ্গে সম্পর্কের প্রমাণ

·       রোগীর হাসপাতালের Invitation Letter

·       NID / জন্মনিবন্ধন

·       সম্প্রতি তোলা ছবি ( কপি)


. মেডিকেল ভিসা কি Multiple Entry হয়?

হ্যাঁ।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভারত মেডিকেল ভিসা Multiple Entry দেওয়া হয় যাতে রোগী চিকিৎসা ফলো-আপের জন্য বারবার যেতে পারে।


. মেডিকেল ভিসার মেয়াদ কতদিন?

সাধারণত
মাস থেকে বছর
মেয়াদ দেওয়া হয়।
চিকিৎসার ধরণের উপর নির্ভর করে মেয়াদ কম-বেশি হতে পারে।


১০. ভিসা মেয়াদ শেষ হলে কি India-তেই বাড়ানো যায়?

হ্যাঁ,
আপনার চিকিৎসা চলমান থাকলে India- FRRO অফিসে আবেদন করে ভিসা Extension করা যায়।


১১. ভারত মেডিকেল ভিসার ফি কত টাকা?

সাধারণত ভিসা ফি
৬০০৭০০ টাকা
(IVAC Service Charge আলাদা হতে পারে)


১২. মেডিকেল ভিসার জন্য কোন মেডিকেল রিপোর্ট লাগবে?

·       আপনার বর্তমান রোগের রিপোর্ট

·       ডাক্তারের রেফারেন্স / প্রেসক্রিপশন

·       পূর্বের টেস্ট রিপোর্ট (যেমন: MRI, CT Scan, X-Ray, Blood Test)


১৩. শুধু চেক-আপের জন্য মেডিকেল ভিসা পাওয়া যায়?

হ্যাঁ।
যদি চেক-আপ বা ডায়াগনস্টিক টেস্টের জন্য হাসপাতাল Appointment Letter দেয়, তবে মেডিকেল ভিসা পাওয়া যায়।


১৪. মেডিকেল ভিসার আবেদন কি নিজে করতে হয়, নাকি এজেন্টের মাধ্যমে করা যায়?

দুইভাবেই করা যায়।
তবে নিজের কাগজপত্র সঠিক থাকলে, নিজেই আবেদন করা নিরাপদ সাশ্রয়ী।


১৫. কি কি কারণে মেডিকেল ভিসা রিজেক্ট হয়?

·       অসম্পূর্ণ কাগজপত্র

·       হাসপাতালের প্রেসক্রিপশন না থাকা

·       পাসপোর্টে ভুল তথ্য

·       ভিসা ফর্মে ভুল

·       মিসম্যাচড মেডিকেল রিপোর্ট

·       পূর্বে ভিসার শর্ত ভঙ্গ করা


১৬. -মেডিকেল ভিসা (e-Medical Visa) কি বাংলাদেশিরা পেতে পারে?

হ্যাঁ, সাম্প্রতিক সময়ে e-Medical Visa সুবিধা বাংলাদেশিদের জন্য চালু করা হচ্ছে।
শর্ত হলো:
হাসপাতাল Appointment Letter বৈধ পাসপোর্ট থাকতে হবে।


১৭. ছোট শিশু বা বয়স্ক রোগীর জন্য কি আলাদা নিয়ম আছে?

বিশেষ কোন আলাদা নিয়ম নেই।
তবে:

·       শিশুদের ক্ষেত্রে জন্মসনদ

·       বয়স্কদের ক্ষেত্রে পরিচয়পত্র হাসপাতালে বিস্তারিত রিপোর্ট
দিতে হতে পারে।


১৮. হোটেল বা থাকার ঠিকানা কি আবেদন ফর্মে দিতে হবে?

হ্যাঁ, আবেদন ফর্মে আপনি কোথায় থাকবেন, কোন হাসপাতালের কাছে হোটেল বুক করেছেনতা উল্লেখ করতে হবে।


১৯. মেডিকেল ভিসা নিয়ে কি tourist spot ঘোরা যায়?

মেডিকেল ভিসা চিকিৎসার উদ্দেশ্য ছাড়াও সীমিত ভ্রমণ করতে দেয়; তবে ট্যুরিস্ট ভিসার মতো সব জায়গা ভ্রমণ করা যায় না।


২০. ভারত যাওয়ার সময় কি স্বাস্থ্য/মেডিকেল বীমা লাগবে?

অবশ্যই বাধ্যতামূলক নয়,
কিন্তু চিকিৎসা খরচ বেশি হলে বীমা থাকলে অনেক সুবিধা হয়।

 

২১. উপসংহার

ভারতে চিকিৎসার জন্য ভ্রমণ অনেক মানুষ করে। যদি আপনি বাংলাদেশ থেকে যাচ্ছেন, তাহলে সঠিকভাবে, সময়মতো সতর্কতার সঙ্গে ভিসার জন্য আবেদন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
উপরের ধাপগুলোর মাধ্যমেডকুমেন্ট প্রস্তুতি, আবেদন ফর্ম পূরণ, ফি পেমেন্ট, IVAC- সাবমিশন, এবং প্রয়োজন হলে extension/registration — আপনি সহজেই এবং আইনগতভাবে একটি ভেলিড মেডিকেল ভিসা পেতে পারেন।

 

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.