Header Ads

দুই পুরুষ (উপন্যাস) পর্ব- ৯


দুই পুরুষ

                    এম, আব্দুল্লাহ আল মামুন

উপন্যাস (পর্ব-৯)

বদলাতে চাই না। জগতের সমস্ত সৌরভ, সমস্ত পরিচ্ছদ, সমস্ত সৌন্দর্যের সাধ্য নেই শয়তানের কুৎসিত মুখচ্ছবি ঢাকে। যে তা দেখেছে সেই ভয় পেয়েছে।

Dui Purush


তুষার বইটি বন্ধ করে চাঁদের দিকে তাকিয়ে বলল, তােমার মুখ দেখে আমি ভয় পাচ্ছি, তােমার মুখের ভিতর আমি দেখতে পাচ্ছি শয়তানের মুখ । তােমার মত বাজে মেয়ে আছে বলেই এই সমাজে মা জাতির এতাে কলঙ্ক। তােমার সন্তান যে কেমন হবে তা আমি এখনি দেখতে পাচ্ছি। মেহেদী নামে এক ছেলের সঙ্গে তুমি মােবাইলে প্রেমালাপ কর তাই না ?

চাঁদ অবাক হয়ে চোখ দু'টো শয়তানের মত বড় বড় করে বলল, তুমি কি করে জানলে ?

-তুষার বলল, আমিই সেই মেহেদী। তুমি মেহেদীকে বল তােমাকে ছাড়া থাকতে পারছি না আমাকে বিয়ে করবে কবে। আর ক্লাসের তুষারের সংগে আকাম করতে চাও তাই না ? ব্যয়াদব মেয়ে, লজ্জা করে না তােমার দুই তিনটা ছেলের সংগে এক সাথে অবৈধ কাজ করতে।

- চাঁদ মাথা নিচু করে চোখের পানি ফেলছে। এ কি হয়ে গেল, লজ্জায় সে বেড় হয়ে গেল ঘড় থেকে। সারাদিন থ মেরে আছে চাঁদ। কাউকে কিছু বলছেও না আবার তার ভাব দেখে মনে হয় কোন কথা সে শুনতেও পাচ্ছে না। এ লজ্জা যে ঢাকবার কোন উপায় নেই।

রাত বারটা। তুষারের কল! অন্য নাম্বার থেকে, চাঁদ রিসিভ করতেই ওপাস থেকে কথা আসলাে, আমি মেহেদী দিনেতাে ভালই তুষারের সংগে কাটালে এখন রাত, রাতটা আমার সংগে কাটাও। ভাল হও.... ভাল হও... নইলে সন্ধার পর রাস্তার পাশে দাড়িয়ে শয়তানি হাসি দিয়ে খদ্দের ডাকতে হবে বুঝলে ?

চাঁদের হাত নিস্তেজ হয়ে গেল কখন যে হাত থেকে মােবাইল পরে গেছে সে নিজেও জানে না। প্রায় তিন মাস হয়ে গেছে চাঁদ ক্লাসে আসে না। আসবেই বা কোন মুখে। তবুও তুষার একদিন চাঁদের বান্ধবীকে জিজ্ঞেস করলে বান্ধবী বলল, চাঁদ আত্মহত্যা করেছে আপনি এতাে দিনেও শুনতে পান নি ? তুষার কথাটা শােনার সংগে সংগে স্ট্যাচু।

এই হলাে তুষারের কাহিনী বুঝলে? চলাে অনেক দেরী হয়ে গেছে যাই সাহেদ মনে হয় বিরক্ত হয়ে রাগ করে বসে আছে। এই বলে রাসেল আর কচি উঠে হাটতে হাটতে কচি বলল, সত্যিই তুষার ভাইয়ের কাহিনী খুব দুঃখজনক।

রাসেলের কারখানায় অনেক বই আছে, রাসেল সুযােগ পেলেই পড়ে। সেখান থেকে একটি বই তুষার নিয়ে পড়ছে। বইটি খুলতেই একটি অধ্যায় বের হলাে। অধ্যায়টির নাম দেখলে না পড়ে উপায় নেই। নাম “জীবনে সফল কাম হতে হলে”

জাগতিক অভাব-মানুষের বেদনা উপহাসের জিনিস নয়। জাগতিক দুঃখ ও দৈনিক অভাবের ভিতর দিয়েই আল্লাহ তার মহিমা এবং গুপ্ত ভাব প্রকাশ করেন। সুতরাং দেহের অভাবকে উপহাস করলে চলবে না, দেহের কথা ভাবতে হবে।

এই দেহের অভাবের জন্য মানব সংসারে কত পাপই অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আল্লাহ যুগে যুগে যে প্রতিজ্ঞা করেছেন, সে প্রতিজ্ঞায় মানুষ বিশ্বাস স্থাপন করতে পারে নি। হযরত ঈসা (আ:) বলেছেন, ক্ষেত্রের পুস্প কেমন সুন্দর, পক্ষীরা আহারের চিন্তায় ব্যস্ত হয় না, অথচ গলা ভর্তি করে সন্ধ্যা কালে তারা বাড়ি ফিরে আসে। আল্লাহ মানুষের কথা কি ভুলে যাবেন ? মানুষকে তিনি আরােও বেশী ভালবাসেন, মানুষকে তিনি আরােও সুশােভিত করবেন না ?

আল্লাহ আর এক জায়গায় বলেছেন, (আমার বান্দার কাছে মিথ্যা প্রতিজ্ঞা করি নাই। তবু মানুষ আল্লাহকে বিশ্বাস করে নি। অবৈধ মিথ্যা পথে সে অন্ন এবং বস্ত্রের সন্ধানে ফিরেছে। অন্ন এবং বস্ত্রের জন্য মানুষ কি পাপই না করছে, তা ভাবতেও মন অস্থির এবং ভীত হয়ে উঠে। আত্মাকে বিনষ্ট করে বেশ্যা নারীর শুদ্র পােষাকে দেহকে সজ্জিত করেছে, অবৈধ অন্ন মুখে তুলে দিয়েছে।

কেন জীবনের পথ এত জটিল করে নিলেন আপনারা ? কে আপনাদের এই সর্বনাশের শিক্ষা দিয়েছে ? আত্মাকে অপবিত্র করে, প্রাণঘাতী দারিদ্র-দুঃখকে বরণ করে জীবনকে ব্যর্থ করে দিবেন ? এরই নাম কি দ্ৰতা এ ভদ্রতা কে শিখিয়েছে আপনাদের ? পরিশ্রম করতে লজ্জাবােধ করেন ? শ্রমকে আপনারা সম্মান করতে জানেন না ? চুরি, হীন দাসত্ব, কাপুরুষতা, আত্মার দীনতা ও মিথ্যার পােক আপনাদের কাছে ভদ্রতা ? ৪০০০ টাকা বেতনে চাকরি করে অসৎ উপায়ে মাসিক ২০০০০ টাকা আয় করতে আপনাদের মনুষ্যত্ব লজ্জিত হয় না ?

পরিশ্রমকে আপনারা সম্মান করলে বুঝতে পারবেন, কয়লার মধ্যে, কল কারখানার ধুলাে বালির মধ্যে, মাটির কাদায়, কামার ঘরের অগ্নিস্ফুলিঙ্গ আপনাদের মনুষ্যত্ব ও শক্তি লুকিয়ে আছে। দূর্বল, কাপুরুষ, শক্তিহীন, ধর্মহীন, দুঃখী মনে করে আপনারা মরবেন না। চাকরি ক’টি মানুষকে বাঁচিয়ে রাখতে পারে ? চাকরীর নেশা ত্যাগ করে আপনারা দিকে দিকে ছুটে পরুণ। পশ্চীমা দেশে মানুষ শিল্প ও দৈহিক পরিশ্রমকে সম্মান করতে শিখেছে- কত প্রতিভা কত স্থানে আপন আপন জীবনকে সার্থক করেছে। তারা মানুষ, তাদের শক্তিতে সমস্ত জাতির দেহে অফুরন্ত শক্তি সঞ্চিত হয়েছে, তারাই জাতির মেরুদণ্ড ও প্রাণ । জাহাজ নির্মাণ, কামান, বন্দুক তৈরী, অসংখ্য কলকজা, তালাচাবি, বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি, ছাপাখানা, কৃষি, অস্ত্র-সরঞ্জাম, স্থপতি শিল্প, ভূ-তত্ত্ব, খনি, চারুশিল্প, বস্ত্ৰতৈরী, সুই সুতা, বাদ্যযন্ত্র, শিশি-বােতল, ধাতুর পাত্র বাসন ও কাঁচ নির্মাণ প্রভৃতি লক্ষ প্রকার কাজে নিজেদের প্রতিভা তারা নিয়ােগ করেছেন। শুধু চাকরির সন্ধানে তারা তাদের জীবন ব্যর্থ করে দেন নি।। জাতির অভাব চাকরিতে পুরণ হবে না। এর ফলে দেশে পরস্পর বিবাদ, হিংসা, বিদ্বেস বেড়েই উঠবে। অভাবে দেশের মানুষের মনুষ্যত্ব থাকবে না।

জ্ঞান ও বিদ্যালােচনা চাকরির জন্য নয়। জ্ঞান মানুষের জীবন কে অসংখ্য প্রকারে সফল করার সুযােগ করে দেয়। জ্ঞানকে দাসত্বের কাজে নিয়ােগ করে জ্ঞানের মর্যাদা নষ্ট করবেন না। জীবনে ঘুমন্ত শক্তি, মস্তিস্কের সহস্র লুকানাে ক্ষমতাকে জাগিয়ে তুলবার অমােষ উপায় হচ্ছে জ্ঞান।

এ দেশে কি শিল্প চর্চা ছিল না ? দেশের মানুষ কি কোন কালে শিল্প প্রতিভার পরিচয় দেয় নি ? আল্লাহর সৃষ্ট এদেশের মানুষের সঙ্গে ইউরােপের মানুষের কি কোন পার্থক্য আছে ? যদি জাতি চাকরির নেশা ত্যাগ করে তার সমস্ত শক্তি বিবিধ পথে নিয়ােগ না করে, তাহলে আবার বলি, জাতির দুঃখ বেড়েই যাবে অভাব ও দুঃখের অন্ত থাকবে না। যে জাতি অভাব ও দুঃখ ভােগ করে, জগতে তাদের অস্তিত্ব থাকে না। পরিশ্রমকে অশ্রদ্ধা করবেন না। এম.এ পাশ করে আপনারা কখনাে বাবুটি হবেন না, এটি হচ্ছে সর্বনাশের কথা, হাতের ক্ষমতাকে অবহেলা করবেন না। কুলির মত সর্বত্র কাজ করুণ, কাজই জগতের প্রাণ। জগৎ বাবু হয়ে বসে বসে শুধুই চিন্তা করবার ক্ষেত্র নয়। জগৎ চায় কাজ। এই যে দেশে কৃষক, কামার, তাঁতী, স্বর্ণকার, কাঠের মিস্ত্রি, রাজ মিস্ত্রী, মালী, চিত্রকার, শিল্পী, ভাস্কর- এরা কি অশ্রদ্ধার পাত্র ? লেখাপড়া জানে না বলেই এরা মানুষের অশ্রদ্ধা ভােগ করছে। জাতির বাঁচবার যন্ত্রপাতি এদেরই হাতে। যে দিন এরা লেখাপড়া শিখবে, সে দিন জাতির পরিচালক হবে এরাই। এদের ইচ্ছায় জাতি ওঠা বসা করবে। যদি বাঁচতে চান দেশের যুবক সম্প্রদায়কে বলি, লেখাপড়া শিখে সর্বপ্রকার হীনতাকে উপহাস করে আপনারা আপনাদের দুইখানা হাতকে নমস্কার করে নিন। আপনাদের ভিতর যে শক্তি আছে সে শক্তিকে ভাড়া না দিয়ে স্বাধীন ভাবে নিজের এবং জাতির মঙ্গলের পথে নিযুক্ত করুণ। সকল দেশের সকল জাতির দিকে তাকান দেখতে পাবেন, তারা কখনাে পরিশ্রমকে অশ্রদ্ধা করেন নি ।

দীর্ঘদিনের পরিশ্রম অধ্যাবসায় এবং সহিষ্ণুতা ব্যতীত কোন কাজেই সফলতা লাভ হয় না। মানুষ যা ইচ্ছে করে, তাই সম্ভব। চাই গ্রতা, বিশ্বাস এবং সাধনা। আন্তরিকতা ব্যতীত কোন কাজই সিদ্ধি লাভ সম্ভব নয়। জগতে যে সমস্ত উত্তম উত্তম কাজ দেখতে পাচ্ছেন, তা কঠিন পরিশ্রম, ত্যাগ এবং দুঃখের ফল। ইংরেজ জাতিকে দূর থেকে দেখলে মনে হয় এরা বড় বাবু, আমরা এতাে খাটি তার প্রতিদানে পাই এক মুষ্টি ছাতু, আর এরা ছায়ায় বসে এতাে সুখ ভােগ করে। এরা যে কত দুঃখ করেছে, উন্নতির সাধনায় এরা কত ত্যাগ সিকার করেছে, কত প্রাণ দিয়েছে, তার সীমা নাই। আপনারাও এই ভাবে ত্যাগ স্বীকার করুণ, দুঃখ বরণ করুণ। হৃদয়ের রক্ত দিয়ে নিজের ও জাতির কল্যাণ অর্জন করতে হবে।

কাজের ডাকে, কর্তব্যের ডাকে কাজ করুণ, শুধু অর্থ লােভেই কাজে অগ্রসর হবেন না। শুধু অর্থ লােভ মানুষকে শ্রেষ্ঠ এবং পূর্ণ করে না। অর্থের মীমাংসা হলেই অর্থ লােভীর সাধনায় জড়তা এবং শৈথিল্য আসে। শুধু অর্থ লােভ জাতির শক্তিকে খর্ব করে দেয়। সমস্ত অর্থ প্রেরণার অন্তরালে কর্তব্য-বুদ্ধি এবং জাতির প্রতি প্রেম মানুষকে শক্তিশালী এবং বিজয়ী করে। অর্থ যদি লাভ হয় তবে তা কাজ করতে করতে ঘটনা ক্রমে হয়ে উঠে।

স্যার জসুয়া রেনল্ডস বলেছেন, যদি কোন কাজে সফলতা চাও, তাহলে যখন ঘুম থেকে ওঠ, তখন থেকে দ্রিা যাওয়া পর্যন্ত সেই কাজে সমস্ত চিন্তা, সমস্ত মন ঢেলে দাও।' বাস্তবিক ইহাই সফলতার পথ। কর্মী ও সাধকের কাছে। সকাল নেই, দুপুর নেই, সন্ধা নেই , কাজকে সর্বাঙ্গ সুন্দর করবার জন্যে তিনি কাজের মধ্যে একে বারে ডুবে যাবেন। সাধনায় সিদ্ধি লাভের ইহাই গুপ্ত রহস্য। অভাব দারিদ্র, অসুবিধা মানুষের সাধনার পথে কোন কালেই বাধা হয় না। বাধা অনেক সময় সাধকের জীবনকে দুঃখময় করে তুলে বলে দুঃখ করাে না, যেহেতু জীবনের গতি চিরদিনই এমনই জটিল ও সমস্যা পূর্ণ। আমাদের দুঃখ ও ত্যাগের ফলে যদি ভবিষ্যৎ মানব সমাজ দুঃখ, কুসংস্কার, মুগ্ধতা ও অত্যচারের হাত থেকে রক্ষা পায়, সেই কথা চিন্তা করে মনে মনে আনন্দ করুণ । আজ কাল এই দুঃখ নীরবে আঁখিজলে সয়ে যান, আল্লাহর দয়ার কথা ভেবে কাজ করতে থাকুন, যদি সাধনায় সিদ্ধি লাভ হয়, সেই দিন সমস্ত দুঃখের প্রতিদান পাবেন। মানব-সমাজ আপনার কাছে একদিন কৃতজ্ঞ হবেই ।

কোন কাজ একবার না হলে আবার করুণ। আবার করুণ- যত বার না হয়, ততবারই করুণ। এর শেষে সিদ্ধি। প্রতিভা সম্পন্ন ব্যক্তিরা হয়তাে কোন কাজ হঠাৎই করে ফেলেন কিন্তু প্ররিশ্রম, চিন্তা ও পর্যবেক্ষণ সফলতার পথ।

স্বর্ণকার, চিত্রকার, ভাস্কর এবং ইঞ্জিনিয়ার সেলিনীর জীবন বড়ই চমৎকার। তাঁর পিতা ফ্লোরেন্সর রাজদরবারে বেতন ভুক্ত গায়ক ছিলেন। তাঁর চাকুরি গেলে পুত্রকে এক স্বর্ণকারের কাছে কাজ শিখাতে পাঠান, অতি অল্প দিনের মধ্যেই বালক কাজ অনেক শিখে ফেলল। বাপের জিদে কিছুদিন তাঁকে এই সময় আন্তরিক অনিচ্ছা সত্ত্বেও বাঁশী বাজান শিখতে হয়েছিল এর কিছুদিন পর সেলেনী পােপের অধীনে স্বর্ণকার এবং গায়ক রূপে চাকুরী পান। তাঁর সােনা রুপা এবং ব্রোঞ্জ ধাতুর কাজ অতি আশ্চর্য। কারাে সাধ্য ছিল না, তেমন কাজ করতে পারে। কোন সুন্দর কারিকরের সংবাদ পেলেই সেলেনী তাঁর কাজ দেখতেন এবং যাবৎ না দক্ষতা গুণে তাকে অতিক্রম করতে পারতেন তাবৎ তাঁর শান্তি থাকতাে না, তাকে পরাস্ত করা চাই, তারপর অন্য কথা, তার কর্মশক্তি ছিল অসাধারণ।

শিল্পী চান্দ্রী শিল্প সাধনার কতদিন মগ্ন থেকে যশের আসন লাভ করেছিলেন, তা জানলে বিস্মিত হতে হবে। খুব ছােট বেলাতেই তাঁর বাপ মারা যান। মা দ্বিতীয় স্বামী গ্রহণ করেন। এই অবস্থায় তাকে গাধার পিঠে শেফিল্ড শহরে দু'বেলা ঘরে ঘরে দুধ যােগান দিতে হতাে। তারপর কিছুদিন এক মুদির দোকানে তাকে কাজ করতে হয়। একদিন রাস্তার পার্শ্বে তিনি কতকগুলি অতি সুন্দর খােদাই কাঠের কাজ দেখতে পান। এই কাজ শিখবার তার অন্তরিক আগ্রহ হলাে। বলে কয়ে কোন রকমে মুদির দোকান থেকে রক্ষা পেয়ে সেই মিস্ত্রীর কারখানায় ভর্তি হলেন, সেখানে তিনি সাত বছর কাজ করেন। ঐকান্তিক আগ্রহ তীক্ষ দৃষ্টি, প্রাণ ঢালা সাধনায় তার কাজের তুলনা নাই। সাত বৎসর তিনি একজন সুদক্ষ কারিকর হলেন। তাঁর অবসর সময় বিনা কাজে ব্যায় হত ...........

চলবে.................

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.